কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট-সিটিটিসির এর হাতে আটক দুই জঙ্গি স্লিপার সেল হিসেবে কাজ করছিলো বলে জানিয়েছেন সিটিটিসি প্রধান। আব্দুল্লাহ আল মামুন ছদ্মনাম ডেভিড কিলার এবং কাউসার হোসেন ছদ্মনাম মেজর ওসামা নামে সরাসরি জেএমবি আমিরের অধীনে কাজ করলেও তাদের দুজনের মধ্যে পরিচয় এবং যোগসাজশ নেই। তবে দুজনই নব্য জেএমবির বোমা তৈরীর কারিগর এবং প্রশিক্ষক।বাংলাদেশের নব্য জেএমবির আমীর মাহাদী হাসান সাংগঠনিক নাম আবু আব্বাস আল বাঙ্গালী।

 

তাদের বানানো আইইডি দিয়ে পুলিশের উপর হামলার পরিকল্পনা ছিল। এর আগে গত ১৭ মে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ বক্সে যে বোমাটি রাখা হয়েছিল সেটি গ্রেফতারকৃত মামুনের আস্তানায় তৈরি করে তার এক সহযোগীর মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসা হয়েছিলো। তবে সেটি তৈরীতে টেকনিক্যাল ফল্ট থাকায় বিষ্ফোরিত হয়নি।

 

এদিকে গতকাল বাংলাদেশে যখন জঙ্গি আস্হানায় অভিযান চলছিল, একইদিনে ভারতের কলকাতায় তাদের এন্টি টেররিজম স্কোয়াডের হাতে ধরা পড়ে তিনজন জেএমবি সদস্য। গোয়েন্দা নজরদারির কারণে বাংলাদেশে জঙ্গি কার্যক্রম চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় তারা ভারতে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকে বাংলাদেশের জঙ্গিদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছিল বলে ধারণা করা হয়।