রাজশাহী প্রতিনিধি :-

ওবায়দুল আমার ছেলে সে আমার মতো হাজারো অসহায় মায়ের ছেলে বলছিলেন বৃদ্ধা আমেনা বেগম।

বাংলাদেশে এখন রাজনৈতিক দলের যেমন অভাব নেই, নেতা-নেত্রীদেরও তেমন কমতি নেই। দু‘দিন কোন দলীয় কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করলে, গাছের মাথায় নেতা-নেত্রীর সাথে ছবি টাঙ্গালে, কোন জনপ্রতিনিধির পেছনে মিছিল করলে-শ্লোগান দিলে, অমুক ভাই-তমুক ভাইর সাথে সেলফি তুলে ফেইসবুকে দিয়েই একেকজন নেতা বনে যান। কিন্তু ওবায়দুল রহমান একটু ভিন্ন আমজনতার পাশে থেকে ভালোবাসা দিয়ে ধরে রেখেছেন নেতৃত্ব ।
দুর্গাপুর পুঠিয়ার উদীয়মান তরুণ এই নেতা মোঃ ওবায়দুল রহমান।

তিনি রাজশাহী জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি। বর্তমানে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এককথায় বলা যায় গণমানুষের নেতায় পরিণত হয়েছেন। তিনি নানান সময়ে আলোচনায় এসেছেন বিশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী ৫ আসনের শক্ত প্রার্থী ছিলেন তরুণ এই নেতা। করোনা কালিনী মানবিক সংকট দেখা দিলে তিনি দলমত নির্বিশেষে সকলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এসময় অসহায়, হতদরিদ্র কর্মহীন মানুষদের মাঝে ব্যপক ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে ব্যাপক সাড়া ফেলে দেন। যেখানে অনেক নেতাই নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে ব্যস্ত তখন তিনি অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

সাধারণ মানুষ পূর্বের লক-ডাউনের ক্ষতি এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি ফের করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল হয়ে পড়েছে জনজীবন হু হু করে বাড়ছে মৃত্যু-মিছিল ও আক্রান্তের সংখ্যা। সাধারণ নিষেধাজ্ঞা থেকে এবার সরকার কঠোর লকডাউন এর পথে। ১৪ এপ্রিল (বুধবার) থেকে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকার কথা থাকলেও পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ার আরও ১ সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার । এসময়ে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া সরকারি-বেসরকারি সব অফিস এবং গণপরিবহন। তবে চালু থাকবে শিল্প-কারখানা। তাই ফের মানবিক সংকটে পড়েছে নিন্ম-আয়ের সাধারণ মানুষ তাইতো ওবায়দুল কে আবারো পাশে চাচ্ছেন তারা।

তার সম্পর্কে আব্দুর রহিম বলেন, রমজানে রোজা রেখে কাজ করা অনেক কষ্টকর সাথে করে লকডাউন এর কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছি ওবায়দুল রহমান এর আগে আমাদের সহযোগিতা করেছিলেন এবারও তিনি আমাদের সহযোগিতা করলে আমাদের অনেক উপকার হতাম।

জামাল উদ্দিন বলেন, শুনেছি ওবায়দুর এর কাছে কেউ সহযোগিতা চাইলে কখনোই তাদের ফেরার না। এবারের লক-ডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়ে ব্যাপক অর্থনৈতিক ভাবে অস্বচ্ছল হয়ে পড়েছি। আমাদের মতন সাধারন মানুষের পাশে দাঁড়াবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা থাকবে।

মোঃ ওবায়দুল রহমান জানান, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের প্রতি দানের হাত বাড়িয়ে দেওয়া রাসূল (সা.) এর সুন্নাহ এবং মানবিক কর্তব্য। বঙ্গবন্ধু ও দেশরত্ন শেখ হাসিনা অসহায় মানুষের পাশে থেকেছেন, তাই নিজ অবস্থান থেকে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।

এমন জনসেবককে ভবিষ্যৎ দুর্গাপুর, পুঠিয়ার অভিভাবক হিসেবে দেখতে চান সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।