নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

 

ফেনীর পরশুরাম পৌরসভাধীন সাতকুচিয়া গ্রামে, কালো আছর দূরিকরণের নামে মধ্যযুগীয় কায়দায় ৭ আগস্ট ওঝাঁ দ্বারা সাপ সোবলীয় নির্যাতন চালানো, সেই গৃহবধূ খালেদা ইয়াসমিন অমিকে ৫ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১২ টার সময় জানে মেরে পেলার উদ্দেশ্যে গৃহবধূ অমির বাবার বাড়ী ফুলগাজী উপজেলার দরবারপুর ইউনিয়নস্থ দরবারপুর গ্রামে গিয়ে ঘরের জানালা দিয়ে অ্যাসিড নিক্ষেপ করেছে গৃহবধূ অমির স্বামী তারেক ও তার বোনের ছেলে অর্থাৎ তারেকের ভাগিনা মিনার।

 

গৃহবধূ অমির উপর অ্যাসিড নিক্ষেপের সংবাদ পাওয়ার পর, আসামীরা যেন জেলা ত্যাগকরে পালাতে না পারে, সে লক্ষে ফেনী জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী বিপিএম, পিপিএম তাৎক্ষণিক জেলার সবগুলি থানার ওসিদেরকে স্ব স্ব থানাধীন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলিতে পুলিশি পাহারা জোরদার করার নির্দেশ দেন। পুলিশ সুপারের দেওয়া নির্দেশনা পালনে, ফেনীর ছাগলনাইয়া থানার ওসি মোঃ শহীদুল ইসলাম তাৎক্ষণিক থানা থেকে একাধীক পুলিশি টিম প্রেরণ করে, থানাধীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পাহারায় বসিয়ে দেন।

 

এরি ধারাবাহিকতায় ছাগলনাইয়া থানাধীন ছাগলনাইয়া- পরশুরাম সড়কের মনুরহাট এলাকায় সড়কে পাহারারত ছাগলনাইয়া থানার এসআই জাহাঙ্গীর দর্জি ওই সড়কে চলাচলরত যানবাহনে তল্লাসি চালানোকালীন, গৃহবধূ অমির উপর অ্যাসিড নিক্ষেপকারী ভাগিনা মিনার ৫ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক আড়াইটার সময় পরশুরামের দিক থেকে আসা ছাগলনাইয়া অভিমুখি যাত্রিবাহী একটি সিএনজি অটোরিক্সায় ব্যাগ ভর্তি কাপড়চোপড় নিয়ে বসা ছিল। সিএনজিটি ছাগলনাইয়া থানার সীমানায় প্রবেশ করা মাত্র এসআই জাহাঙ্গীর সিএনজি টি থামিয়ে সিএনজিতে থাকা সন্দেহজনক যাত্রিদেরকে তল্লাসিকালীন, মিনারকে সন্দেহ হলে এসআই জাহাঙ্গীর মিনারকে সিএনজি থেকে নামতে বলা মাত্র মিনার নিজের বহনকৃত কাপড় চোপড় ভর্তি ব্যাগটি কাঁধে নিয়ে, সিএনজির অন্য সাইড দিয়ে নেমে দৌড় দিলে, সাথে সাথে এসআই জাহাঙ্গীর মিনারের পিছু নিয়ে সড়কের পাশে একটি ধান ক্ষেতে মিনারকে চেপে ধরে গ্রেপ্তার করেন।