পরশুরাম প্রতিনিধি :-

 

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে পরশুরাম উপজেলার ইউনিয়ন নির্বাচনের আভাস পেয়েই মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রার্থীরা।বর্তমান ও সাবেক মেম্বার প্রার্থীদের পাশাপাশী প্রচারনায় তালিকায় রয়েছেন অনেক নতুন মুখ।

চলতি বছরের নভেম্বর মাসের ২৮ তারিখ পরশুরাম উপজেলায় ৩টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে এ নির্বাচনকে ঘিরে পরশুরাম উপজেলার তৃণমূলের রাজনীতি পুরো দমে জমে উঠেছে।

উপজেলার বক্সমাহমুদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সমন্বিত ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের মহিলা পার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তা ও আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন সুফিয়া খাতুন। মেম্বার পদের জন্য নিয়মিত গণসংযোগ করেছেন তিনি।

সুফিয়া খাতুন নিজের সততা, যোগ্যতা ও জনগণের সাথে আন্তরিকতা আর ভালোবাসায় গত তিনবারের নির্বাচিত সমন্বিত ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার ছিলেন। বিগত সময়ে এলাকার যেকোনো সামাজিক দায়িত্ব সুনামের সঙ্গে পালন করায় ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ সহ দলীয় নেতা-কর্মীরা সমন্বিত ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার পদে যোগ্য ও জনপ্রিয় পার্থী হিসাবে সকলে সুফিয়া খাতুনকে চান। তার আমলে দায়িত্ব পালনে যতটুকু পেরেছেন নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে ওয়ার্ডের মানুষের সেবা করে গেছেন বলে জানান সুফিয়া খাতুন।

 

সুফিয়া খাতুন বর্তমানে বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব রয়েছেন। এছাড়া তিনি চাঁদগাজী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক অফিস সহকারী মরহুম নুর ইসলাম সরকার এর স্ত্রী। নুর ইসলাম সরকার ছিলেন আওয়ামী লীগের একজন ত্যাগী নেতা। আওয়ামী দলের সাথে সম্পৃক্ত থেকে নিজের জীবন যৌবনকাল কাটিয়ে দিয়েছেন।তিনি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি থেকে শুরু করে বক্সমাহমুদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার বিষয়ক সম্পাদক, বক্সমাহমুদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও শেষ জীবনে বক্সমাহমুদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবেও দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে।

 

সুফিয়া খাতুন বলেন,জনগণের ভালোবাসা ও আস্থার কারণেই একাধিক টার্ম জনপ্রতিনিধি হিসেবে থাকার সুযোগ হয়েছে এবং জনগণের ভালোবাসা নিয়ে আগামী সময় জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে যেতে চাই। গত কয়েক টার্ম ধরে দায়িত্ব পালন সময়ে এলাকার মুল সমস্যা চিহ্নিত করে সাধ্যমত নির্বাচনী এলাকায় স্কুল,কলেজ, মাদ্রাসা সহ স্হানীয় স্বাস্হ্য ক্লিনিক গুলোর মানোন্নয়ন করেছি।

প্রয়োজনীয় রাস্তাঘাট পাকাকরণ ও মাটি ভরাট করেছি। বয়স্ক বিধবা সহ প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা সহ স্যানিটেশন ও প্রান্তিক পর্যায়ের লোকজন দের সরকার কর্তৃক নির্দেশিত ১০টাকা মূল্যের চালের কার্ডের ব্যবস্হা করেছি এবং মাতৃত্ব কালীন ভাতার ব্যবস্থা ও করেছি,যা সরজমিনে ওইসব ওয়ার্ডে ঘুরে এবং স্হানীয় জনগণের সাথে কথা বললে সত্যতা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। জয়ের বিষয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সুফিয়া খাতুন বলেন, আমি আশাবাদী জনগণ আমাকে আবারও তাদের সুখে দুঃখে পাশে থেকে সেবা করার সুযোগ করে দিবে।

 

সেই প্রেক্ষিতে আগামী নির্বাচনে যদি আমি জয়লাভ করি তাহলে যেসব অসমাপ্ত কাজ গুলো রয়েছে সেগুলো সমাপ্ত সহ সমন্বিত ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড কে জনগণের নিকট মডেল ওয়ার্ড হিসেবে উপহার দিতে চাই। স্থানীয় ওয়ার্ডবাসী জানায় ,মহিলা মেম্বার পদে আমাদের নতুন মুখের দরকার নেই।সুফিয়া খাতুন পূর্ব থেকেই আমাদের সুখে দুঃখে পাশে আছে ভবিষ্যতেও আমরা সকলে তাকেই চাই