নিজস্ব প্রতিনিধি: মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে ২০ লাখ করোনার টিকা ও ১০৯ টি অ্যাম্বুলেন্স উপহার দিবেন ভারত সরকার।

১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় ভারত বাংলাদেশ কে অাপ্রাণ সহযোগিতা করেছিল। সেই সময় বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি মানুষকে অাশ্রয় ও ভরণ পোষণ করেছিল।

ভারত সরকারের ঋন বাংলাদেশ কোন সময় শোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় তখন বাংলাদেশে থাকা এক শ্রেণী পাকিস্থানের পক্ষে ছিল।

তারা চাইনি যে বাংলাদেশ স্বাধিন হোক। সেই পাকিস্থানি সমর্থকরা ৭১ সাল থেকে ভারত বিরোধিতা করেছিল এখন ও করছে।

বাংলাদেশে অাটকে থাকা পাকিস্থানের সমর্থকরা বা বাংলাদেশ বিরোধিরা কোন সময় ভারতের পক্ষে ও বাংলাদেশ অাওয়ামীলীগ সরকারের পক্ষে যাবে না।

বাংলাদেশ অাওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে যাবে না এই কারণে যে ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কে নেতৃত্ব দিয়েছিল।

পাকিস্থান নামক রাষ্ট্রকে পরাজিত করে বাংলাদেশ অাওয়ামীলীগ সরকার বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছিল।

তাই যারা বাংলাদেশের স্বাধিনতা চাইনি তারা বা তাদের উত্তরসূরীরা সব সময় অাওয়ামীলীগ সরকারের সমালোচক ও ভারতের সমালোচক।

বাংলাদেশে অাটকে থাকা পৃথিবীর নিকৃষ্টতম দেশ পাকিস্থানের উত্তরসূরির সংখ্যা দিন দিন বৃদ্বি পাচ্ছে।

পাকিস্থানের উত্তরসূরির সবাই বিএনপি ও জামাতের রাজনীতি করে থাকে। এবং তাদের প্রজন্ম ও বিএনপি জামাত করে যাচ্ছে।

যুদ্বের সময় প্রকাশ্যে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল জামাতে ইসলাম।


তরুণ প্রজন্মও কিন্তু ইতিহাসের ভূল ব্যাখার কারণে বাংলাদেশের বিরোধিতা ও পাকিস্থান নামক রাষ্ট্রের সমর্থক।সাথে সাথে তারা ভারত বিরোধি।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বিএনপি নামক সংগঠনের যাত্রা শুরু। সেই বিএনপি ও জামাত বাংলাদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম, স্মৃতি ও যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া অাওয়ামীলীগকে ধ্বংশ করার চেষ্টা করেছিল এবং প্রায় সফলও হয়েছিল।

বিএনপি জামাত ৭৫ এর পর অাওয়ামীলীগের প্রায় দের লাখ নেতা কর্মীকে হত্যা করে অাওয়ামীলীগকে ধ্বংশ করার চেষ্টা করে।

সেই চেষ্টা অাবার তারেক জিয়ার নেতৃত্বে ২০০৪ সালের ২১শে অাগষ্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল।

কিন্তু অাল্লাহতালার অশেষ রহমতে শেখ হাসিনা বেছে যায় নেতা কর্মীদের মানব দেওয়ালের কারণে। সেই দিন অায়ভী রহমান সহ প্রায় ২১ জন নিহত হয়, শত শত নেতা কর্মী অাহত হয়, এখনও তারা পঙ্গুত্ব নিয়ে জীবন যাপন করছে।

ইতিহাসের পালা ক্রমে দীর্ঘ ৫০ বছর পর সারা বিশ্ব শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন করছে। ইতিহাসের বাকে ইতিহাসকে মিথ্যা প্রমাণ করা যায় না। ইতিহাসের কাউকে ক্ষমা করে না।

সুবর্ণজয়ন্তী যখন পালন হচ্ছে তখন বেগম খালেদা জিয়া গৃহ জেলবন্ধি। সময়ের পরিক্রমায় অাজ বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেল।