দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি : 

 

রাজশাহীর দুর্গাপুর  উপজেলার পানানগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে নৌকার মাঝি হতে চান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্যাগী সাধারণ সম্পাদক মোঃ আদম আলী।
নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে এলাকাবাসীর মধ্যে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হচ্ছে বলে জানা গেছে। তৃণমূলের নেতা আদম আলীকে চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত করার জন্য চলছে গণসংযোগ।
ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের সব শ্রেণিপেশার মানুষ একতাবদ্ধ হয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন মতবিনিময় সভা।

এছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরাও তার পক্ষে মাঠে কাজ করছেন। আদম আলীর সুদীর্ঘ  রাজনীতির জীবনে আওয়ামী লীগের জন্য ছিলেন নিবেদিত প্রাণ, বহু ত্যাগের মধ্যেই  ধরে রেখেছেন তৃণমূলের নেতৃত্ব, সুশৃংখল আওয়ামী লীগ গড়ার অন্যতম কারিগর তিনি। আওয়ামী লীগ করার কারণে বহু নির্যাতন তাকে সইতে হয়েছে। ২০০১ সালে ইউনিয়ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জন্য কাজ করার তাঁর উপর  তৎকালীন বিএনপি,জামাত ক্যাডাররা বর্বোরোচিত হামলা চালায় এসময় তিনি মারাত্মক আহত হন। বিভিন্ন মিথ্যা মামলার কারণে ১৯৯৬ কারাবন্দীও হয়েছিলেন। সুদীর্ঘ ৩৮ বছরের রাজনৈতিক  জীবনে একটি বারও আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাননি তবুও দলকে ভালোবেসে দলের হাল ধরে রেখেছেন। বিগত দুইটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও অনুপ্রবেশ কারিদের চক্রান্তের কারণে মনোনয়ন বঞ্চিত হন।

তিনি ১৯৮৪ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৮৭ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত নাটোর এনএস কলেও বগুড়া শেরপুর ডিগ্রী কলেজে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এসময় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে এরশাদ পতন আন্দোলনে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন।

১৯৯৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এবং থানা যুবলীগের সম্পাদকীয় মন্ডলীর অন্যতম সদস্য ছিলেন। ২০০৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন।

তাঁর সম্পর্কে আবুল কালাম জানান, তিনি তৃণমূলের গণমানুষের নেতা, আওয়ামী লীগ কারার কারণে বহু নির্যাতন তাকে সইতে হয়েছে, আমি চাই তার মতো ত্যাগী নেতাই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাক। কোনো অনুপ্রবেশ কারিদের টিকিট না দেওয়া হোক।
গোলাম মোস্তফা জানান,  তিনি একজন সৎ পরিশ্রমী পরিক্ষিত জননেতা। এবারের মনোনয়ন কোনো অনুপ্রবেশকারীদের না দিয়ে প্রকৃত আওয়ামী লীগ করে তাদের দেওয়া হোক সেই হিসিবে আদম আলী পাওয়ার যোগ্য।

আদম আলী গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, আমার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমার আদর্শ, আমার প্রাণ, আমি দলের সাথে আছি মৃত্যুর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত দলের অনুগত থাকবো। কিন্তু পানানগর আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা বঞ্চিত অবহেলিত, বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ কারি, তিনি বিএনপি থেকে ২০০৬ সালে  আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। কিন্তু তাঁর বিএনপির সাথে সক্ষতা যাইনি। তিনি ৫ টি বছর ইউনিয়নের কোনো কার্যক্রমে আমাকে বা আমার নেতা কর্মীদের যুক্ত করেননি। সকল সুযোগ সুবিধা দিয়েছে বিএনপি জামাতের লোকদের। আমার মনে হয় তিনি বিএনপি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেই আওয়ামী লীগের ভেতরে ঢুকেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আকুল অবেদন থাকবে প্রকৃত আওয়ামী লীগ ত্যাগী কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হোক। তৃণমূলের আওয়ামী লীগের অধিকার রক্ষা করা হোক।

 

 

টিবিএন/আইএইচএস