টাইমস বাংলা নিউজ ডেস্ক: নোয়াখালী কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হৃদয় গত ৯ মার্চ রাত ৮.৩০ মিনিটে ডান চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ হয়। সেখান থেকে সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হয়ে আনুমানিক রাত ৩.০০ ঘটিকায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়।
এরপর ৬ ঘন্টা এই হাসপাতাল থেকে ঐ হাসপাতাল দৌঁড়ঝাপের পর অবশেষে সকাল ৯.০০ ঘটিকায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইন্সটিটিউটে ভর্তি করে অপারেশনের মাধ্যমে চোখের ছররা গুলির অংশ বের করা হয়েছে। এরপর মস্তিষ্কের ভিতরে থাকা গুলির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নিউরো সাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে, আগামীকাল মেডিকেল বোর্ড গঠন করে অপারেশন এর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
ডাক্তারের ভাষ্যমতে, হৃদয়ের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে অনেকটা আশঙ্কামুক্ত। সবাই ওর জন্য ওর করবেন।
গত ৯ মার্চ সন্ধ্যার পরে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে আ’লীগের দু’গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উক্ত সংঘর্ষে ১জন নিহত, ১০জন গুলিবিদ্ধসহ ৩০জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জানা যায়, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কোন্দল চলে আসছিল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে। তাই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে পর পর ২বারে মুখোমুখি সংঘর্ষে। এই অপরাজনীতি বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় জনগন।
নোয়াখালীর অপরাজনীতির বলি হওয়া কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হৃদয়ের শারিরিক খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছুটে যান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।