ছাগলনাইয়া প্রতিনিধিঃ- 

 

বাংলাদেশে স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর থেকে প্রবাসী সরকারের সব কাগজপত্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নাম ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৭০ সাল থেকে এ দলের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। পরবর্তীতে দেশের অন্যতম প্রাচীন এ সংগঠনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এ দেশের গণমানুষের সংগঠনে পরিণত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে ছাগলনাইয়া আওয়ামী লীগের কার্যালয় মিলাদ, দোয়া ও কেক কাটা আয়োজন করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন। সংগ্রাম, ঐতিহ্য ও অর্জনের পথ চলায় ২৩ (জুন) বুধবার ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন মজুমদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল কেক কেটে আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ সূচনা করেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মুজিব এর সঞ্চালনায় উপস্থিত আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মোহাম্মদ মোস্তফা, পৌর সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল বাকী চৌধুরী শিমুল, পাঠান নগর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল হায়দার চৌধুরী জুয়েল, শুভপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সেলিম, মহামায়া ইউপি চেয়ারম্যান গরীবশাহ হোসেন বাদশা, কৃষক লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযুদ্ধা মনির আহমদ, পৌর কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান হাবিব, কামাল উদ্দিন খোকন, ছাত্রলীগের সভাপতি জিয়াউল হক দিদার, সাধারণ সম্পাদক রুবেল সহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বদানকীর দল। দলটির ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এই রাজনৈতিক দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক। ওই সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে আটক ছিলেন। তাকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

 

কেন্দ্রীয়ভাবে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ করা হলেও পরবর্তীতে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম ‌‘আওয়ামী লীগ’ করা হয়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৯৫৫ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয়া হয়। আর পূর্ব পাকিস্তান শব্দ দুইটি বাদ পড়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় থেকে।