নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

সুনামগঞ্জের বাসিন্দা আফজাল হোসেন তুহিন শেখ হাসিনাকে হাওড় কন্যা উপাধি দিলেন।

এই উপাধিতে ভূষিত করে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন। নিম্নে তার ফেসবুকে দেওয়া পোষ্ট সমূহ তুলে ধরা হল।

হাওড়ের উন্নয়নের রূপকার, হাওড়ের বুকে উন্নয়নের জন্য আমি আফজাল হোসেন তুহিন সুনামগঞ্জ জেলার তথা হাওড় পাড়ের বাসিন্দা হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ৭৫তম জন্মদিনে বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনাকে “হাওড় কন্যায়” ভূষিত করলাম।

হাওড় পাড়ে যোগাযোগের বিশালতার উন্নয়নের জন্য সুনামগঞ্জ জেলাকে আধুনিক সুনামগঞ্জে রুপ দেওয়ার জন্য, আগামী তরুণ প্রজন্ম যেন জানতে পারে, অবহেলিত হাওড় কে উন্নয়নের হাওড় রুপ দেওয়ার জন্য হাওড় কন্যায় ভূষিত হল।

হাওড় আর আগের মতো নেই। পাল্টে গেছে আশপাশ। উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে হাওড়ের সর্বত্রই। সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের হাওড়ের বুকে নির্মিত হল অলওয়েদার সড়ক। হাওড় পাড়ের বিস্ময়কর পরিবর্তন। শেখ হাসিনার সরকার দেশের সব জায়গায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগিয়েছেন। যার ফলে হাওড়ের মতো অবহেলিত বলা অঞ্চল এখন মানুষের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

হাওড় পাড়ের জীবন অনেক বদলে গেছে। হাওড় উন্নয়নের ঢেউ লেগেছে মানুষের জীবন ও জীবিকায়। আয় বেড়েছে, কর্মসংস্থান বেড়েছে। বড়দের আয় বেড়েছে আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। আর ছোটদের আয়ও এখন দৃশ্যমান।

বাংলাদেশের একমাত্র আশা নিরাশার শেষ ঠিকানা, বাংলার বাতিঘর, উন্নয়নের রপকার, জিজিটাল বাংলাদেশের রুপকার বিশ্বনেত্রী, বিশ্বের সৎ তিনজন প্রধানমন্ত্রীর একজন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম জন্মদিন “হাওড় কন্যায়” চিরস্বরণীয় হোক।

কথার লহরী ফুঁড়িয়ে যাবে

তবু বাংলা ও বাঙালির আত্মোন্নয়নে,

আপনার অবদানের কথা শেষ হবে না৷

রূপকথার ফিনিক্স পাখি নয়,

সত্যিকারের লড়াকু মানুষ।

আপনাকে যে যতটুকু জানবে

তারাই বুঝতে পারবে।

কঠিন ভগ্নস্তূপে দাঁড়িয়ে একটা মানুষ কর্ম দিয়ে বুঝিয়ে দিতে পারে ‘আমি চির-উন্নত মম শীর’।

শুভ জন্মদিন, বাঙালির বাতিঘর।

আমাদের আপা, বঙ্গবন্ধু কন্যা, শেখ হাসিনা। শুভ জন্মদিন হাওড় কন্যা প্রিয় মমতাময়ী নেত্রী।