নিউজ ডেস্ক :- 

 

সিলেটে তিন দলের নারী ক্রিকেট দিয়ে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসের খেলা মাঠে গড়িয়েছে আগেই। পুরুষ ফুটবল দলের খেলা কুমিল্লায় শুরু হয়েছে শনিবার।

বাংলাদেশ গেমসের নবম আসর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ১ এপ্রিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি গেমস আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের সব আয়োজন বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। গেমস চলবে আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত।

রোববার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধু নবম বাংলাদেশ গেমস নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে হবে গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি গেমস উদ্বোধন করবেন।’

অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশের খেলাধুলার উল্লেখযোগ্য সাফল্য গাথা’ এবং ‘খেলাধুলায় বাংলাদেশ’ ভিজুয়াল প্রদর্শনীসহ দৃষ্টিনন্দন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে।

কেবল রাজধানীতে নয়, গেমসের খেলা সাত বিভাগের সাত জেলায় হবে। মোট ৩১ ডিসিপ্লিনের খেলা ২৯ ভেন্যুতে আয়োজন করা হবে। ঢাকার বাইরের খেলাগুলোর মধ্যে আরচারি গাজীপুরে, নারী ক্রিকেট সিলেটে (সমাপ্ত), পুরুষ ক্রিকেট বরিশালে, ফুটবল কুমিল্লায়, কারাতে বান্দরবানে, রাগবি রংপুরে, টেনিস রাজশাহীতে, ভলিবল নড়াইলে ও ভারোত্তোলন ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হবে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ গেমসের নামকরণ করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু নবম বাংলাদেশ গেমস।’ যে কারণে গেমসের মশাল গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ার বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থল থেকে যাত্রা শুরু করবে।

বিওএর সভাপতি জেনারেল আজিজ আহমেদ মশাল প্রজ্বলন করে তুলে দেবেন মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজার হাতে। তারপর বর্ণাঢ্য মোটরর‍্যালির মাধ্যমে মশাল ঢাকায় আনা হবে। ঢাকায় মশাল গ্রহণ করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

টুঙ্গীপাড়া থেকে মশাল ঢাকায় আনা এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রজ্বলন করার জন্য সবমিলিয়ে ২০ জন ক্রীড়াবিদ থাকবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল মশাল প্রজ্বলন করবেন গলফার সিদ্দিকুর রহমান এবং সাঁতারু মাহফুজা খাতুন শিলা।

 

টিবিএন/ আইএইচএস