যে সকল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয় এরূপ ১০টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।

 

প্রকল্পগুলো হলো- পটুয়াখালী ২x৬৬০ মে.ও. কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, উত্তরবঙ্গ ১২০০ মে.ও. সুপার থারমাল পাওয়ার প্ল্যান্ট, মাওয়া ৫২২ মে.ও. কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, ঢাকা ২৮২ মে.ও. কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, চট্টগ্রাম ২৮২ মে.ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, খুলনা ৫৬৫ মে.ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, মহেশখালী ১৩২০ মে.ও. কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, মহেশখালী ১৩২০ মে.ও. কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ৭০০ মে.ও. আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, সিপিজিসিবিএল-সুমিতোমো ১২০০মে.ও. আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প। এই প্রকল্প বাতিল হলেও বিদ্যুৎ সরবরাহে কোন সমস্যা হবে না। আগামীতে এলাকাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার বাড়াতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য সাশ্রয়ি রাখতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আজ সচিবালয়ে ১০টি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র অনুমোদন বাতিল প্রসংঙ্গে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করা হবে। নেপালের সাথে জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত। বিদ্যুৎ উৎপাদনে এলএনজি-এর ব্যবহারও বাড়তে পারে। ২০৪১ সালের মধ্যে নবায়ণযোগ্য জ্বালানি হতে ৪০% বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।