রাজশাহী প্রতিনিধিঃ- 

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের শালমারা গ্রামে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে পুকুর খনন করছে বিগোপাড়ার ইটভাটার মালিক মো. আবুল কালাম।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, পানি নিষ্কাশনের নাম করে কালাম তার ইটভাটায় মাটি নিয়ে যাচ্ছে। ফলে রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ছে। রাস্তায় কাঁদা মাটি ও ধূলার কারণে রাস্তা দিয়ে মানুষ চলাচলসহ কোন যানবাহন ঠিকমত চলাচল করতে পারছেনা। তাছাড়া সামান্য বৃষ্টি হলে সেখানে যেকোন মুহূর্তে বড় রকমের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অবৈধ ইটভাটার মালিক ও অবৈধ পুকুর খননকারি আবুল কালাম এভাবেই শালমারা বিলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নাম ভাঙ্গিয়ে পানি নিষ্কাশনের নাম করে অবৈধভাবে পুকুর খনন করছে।

অবৈধ ইটভাটার মালিক মো. আবুল কালামের সাথে এ ব্যাপারে মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি বাংলা টাইমসকে জানান, বিলের পানি নিষ্কাশনের জন্য আমাকে ইউএনও সাহেব মৌখিকভাবে অনুমতি দিয়েছে তাই আমি পানি নিষ্কাশনের জন্য কাজ করছি। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুকুর খনন করে যে মাটি আমার ভাটায় নিচ্ছি তা ক্রয় করে নিয়েছি। তাছাড়া তিনি আরও জানান, আমি হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে শুরু সকল প্রশাসনকে ম্যানেজ করে কাজ করছি, পারলে আপনি আমার কাজ বন্ধ করে দেখান।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফারুক সুফিয়ানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাইমস বাংলাকে জানান, পুকুর খনন ব্যাপারে কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করেনি এবং আমি জানিনা কেউ যদি আমার নাম ভাঙ্গিয়ে পুকুর খনন করে, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করব।

তিনি আরও জানান, সেখানে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করার জন্য বাগমারা থানা ও হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

এব্যাপারে হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমি অবৈধ পুকুর খননকারি ও ইটভাটার মালিক কালাম নামের কাউকে চিনি না এবং আমার সাথে কোন রকম তার যোগাযোগ হয়নি। কেউ যদি আমার নাম ভাঙ্গিয়ে মিথ্যা কথা বলে থাকে তাহলে আমি তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। তাই সাধারণ জনগণের প্রশ্ন তাহলে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে কিভাবে অবৈধ ইটভাটার মালিক ও অবৈধ পুকুর খননকারিরা কাজ করে যাচ্ছে।