নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ছাগলনাইয়া পৌর এলাকার দক্ষিণ সতর থেকে উত্তর সতর গ্রামের মধ্যে দিয়ে মহামায়া ইউনিয়নের চাঁদগাজী বাজারের দিকে চলে গেছে চৌধুরী সড়ক। এই চৌধুরী সড়ক থেকে নাজির সওদাগর বাড়ি পর্যন্ত উত্তর সতর লক্ষী মজুমদার সড়ক হিসেবে এলাকায় পরিচিত। এই উত্তর সতর লক্ষী মজুমদার সড়ক দিয়ে প্রায় ২শত বছর ধরে চলা চলে আসছে এলাকার মানুষ। সম্প্রতি এ সড়কে বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচলে বাধা প্রদান করেন স্থানীয় রুহুল আমিনের ছেলে ইফখারুল আলম রূপক। যার ফলশ্রুতিতে একই এলাকার নাজির সওদাগর বাড়ির ২০ পরিবার ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। প্রায় ২শত বছরের পুরাতন গ্রামের এই লক্ষী মজুমদার সড়ক পাকাকরণের জন্য টেন্ডার হলেও স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা ইফতেখার আলম রূপকের বাধার মুখে সড়কটি পাকাকরণ হয় নাই বলে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান।

 

শুধু তাই নয়, পরে লক্ষী মজুমদার সড়কটি পাকাকরণ না করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মাইন উদ্দিন মাস্টার সড়কটি পাকাকরণ করে ফেলে বলে এলাকাবাসী জানান। ভুক্তভোগীরা জানান, চলাচলের রাস্তা খুলে দেয়ার জন্য কার কাছে যাবো? এলাকায় যোগ্য মেম্বার নেই। ৫ নং মহামায়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গরীবশাহ হোসেনের কাছে গিয়েছেন। থানায় গিয়েছেন। কোন কাজ হচ্ছে না। উপায়ন্তর না দেখে ভুক্তভোগীরা, এলাকার কৃতিসন্তান সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়ার নিকট যান। ভোক্তভোগিরা সাংবাদিকের নিকট সব খুলে বলেন। এলাকাবাসীর অনুরোধে সাংবাদিক সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে সাংবাদিক ভুক্তভোগীদের পক্ষ হয়ে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী রূপককে অনুরোধ করে বলেন, রাস্তা দিয়ে অনেক মানুষ চলাচল করে। এই সড়ক পাকা করনে বাধা ও বাঁশ দিয়ে সড়ক অবরোধের কারন জানতে চাইলে রূপক জায়গা তার পৈতৃক ভিটা বলে দাবী করেন। তাই সড়ক পাকাকরণে বাধা প্রদান করেন। এরপর তাকে অনুরোধ করে সাংবাদিক আরো বলেন, এখন এই সড়কটি পাকাকরণ হলে আপনিও এলাকার মানুষ উপকৃত হবে। এতে আপনার অনেক সওয়াব হবে। দয়া করে সিএনজি, অটোরিকশা, এম্বুলেন্স চলাচলের জন্য রাস্তাটি খুলে দিন। কিন্তু রূপক বলেন, পূর্বে আমরা চলাচল করার সুযোগ দিয়েছি। এখন রাস্তা দিতে পারবো না বলে জানান।

 

এ সময়ে রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে দুই পক্ষকে শান্ত করেন ছাগলনাইয়া প্রেস ক্লাবের সহ সভাপতি সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়া। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা, এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া তাহের এর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।