এডভোকেট জাহিদের তীব্রভাবে জামিন বিরোধিতার মুখে রিক্সা চালককে মারধর মামলার আসামীর জামিন নামঞ্জুরম করেছে বিজ্ঞ আদালত।

৪ এপ্রিল মঙ্গলবার রিকশাওয়ালা পিটানোর ভিডিও ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে। এতে জনসাধারণের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে।
অদ্য ৫ এপ্রিল এই ঘটনায় মামলার এজাহারে বলা হয়েছে যে, অজ্ঞাত রিক্সা চালককে মারধর করা হয়েছে কিন্তু ঢাকা মেডিকেলসহ সব যায়গায় অনেক খোঁজাখোজি করেও রিকশাওয়ালাকে না পাওয়া যায় আসামীকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কোর্টে চালান দেয়া হয়েছে যাহা জামিনযোগ্য অপরাধ৷

বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রমতে, আসামীপক্ষে কয়েকজন স্বনামধন্য সিনিয়র শুনানিতে অংশ নেন৷ সিনিয়রের শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালতের কাছে এডভোকেট আবদুল্লাহ আল জাহিদ ভূঁইয়া শুনানীর অনুমতি প্রার্থনা করেন৷

বিজ্ঞ আদালত এডভোকেট আবদুল্লাহ আল জাহিদ ভূঁইয়াকে জিজ্ঞেস করেছেন আপনার পাওয়ার আছে কিনা?
এডভোকেট আবদুল্লাহ আল জাহিদ ভূঁইয়া তখন বলেন, ভিকটিমকে খোঁজ করে পাই নাই তাই পাওয়ার নিতে পারি নাই৷ আপনি অনুমতি দিলে আমার কিছু বক্তব্য আছে৷
অপরপক্ষের প্রতিবাদের মুখে এবং ভিডিওধারনকারী ডিবিসির সাংবাদিক লিটন মাহমুদ, এড ডিকে গায়েন টিটু, এড প্রসেনজিৎ সহ সকলের সহযোগীতায় আমরা শুনানী করি, তীব্রভাবে জামীন বিরোধিতা করি৷
নির্যাতিত রিক্সা চালককের পাশে দাড়িয়েছেন ফেনীর সন্তান এডভোকেট জাহিদ

নির্যাতিত রিক্সা চালককের পাশে দাড়িয়েছেন ফেনীর সন্তান এডভোকেট জাহিদ

বিজ্ঞ আদালত উভয়পক্ষের বক্তব্য শ্রবন করে সন্তুষ্ট হয়ে আসামীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন।

এডভোকেট জাহিদ টাইমস বাংলা নিউজকে জানান, সমাজের নির্যাতিত মানুষের পাশে আমরা যারা এডভোকেট পড়ালেখা করেছি এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, তারা না দাঁড়ালে আসামীরা বারবার অপরাধ করার সুযোগ পেয়ে যাবে। কারণ নির্যাতিতরা অত্যান্ত গরীব, স্ব-শিক্ষিত ও গরীব প্রকৃতির হয়ে থাকে। তাই তারা আইন  আদালত কে ভয় পায়। এতে নির্যাতনকারীরা বুক ফুলিয়ে অপরাধ করতে থাকে। তাই আমরা যারা রয়েছি তারা আগামীতেও দেশে ঘটে যাওয়ার সকল নির্যাতন ও অপরাধের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবো বিনাপারিশ্রমে ইনশাআল্লাহ। আপনারা দোয়া করবেন।