নিজস্ব প্রতিনিধি <>

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও রয়্যাল রিসোর্ট থেকে কথিত স্ত্রীকে নিয়ে ধরা পড়ার পর নানামুখী চাপে আছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। তার সঙ্গে থাকা নারীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে পরিচয় দিয়ে দিলেও তাদের বিয়ের কোনো প্রমাণ নেই। কথিত স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পর মামুনুল হকের প্রথম স্ত্রী আমিনা তৈয়বা তার সন্তানদের নিয়ে ঘর ছেড়েছেন।

এদিকে হেফাজতে ইসলাম ও খেলাফত মজলিশ ছাড়াও নানা মহলে সমালোচিত হচ্ছেন মামুনুল হক। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজে লাইভে মামুনুল বলেন, “আমি একাধিক বিয়ে করেছি। ইসলামি শরিয়তে একজন মুসলিম পুরুষকে চারটি বিয়ে করার অনুমতি দিয়েছে। দেশের প্রচলিত আইনেও কোনো বাধা নেই। কাজেই আমি যদি চারটি বিয়ে করি তাতে কার কী। আমি একাধিক বিয়ে করেছি সেটি আমার শরিয়তসম্মত ও নাগরিক অধিকার।”

জানা গেছে, পেছনের তারিখে দেখিয়ে কাবিননামা তৈরির চেষ্টা করছেন মামুনুল হক। তার পক্ষ থেকে দুজন মগবাজার কাজী অফিসে গিয়ে আলোচনা করেছেন বলেও জানা গেছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কাজি ঝুঁকি নিতে রাজি হননি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন কাজি অফিসে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোনো ধরণের জাল কাবিননামা তৈরির ঘটনা যেন না ঘটে সেই লক্ষ্যে স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয় ও মাঠ প্রশাসন থেকেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।