ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের উত্তর  মন্দিয়া গ্রামের একই পরিবারের তিন ছেলে জন্মগতভাবে অন্ধ। অন্ধ হওয়ার পরও তিন ছেলেকে কোন দিন ভিক্ষা করতে দেন তার রত্নগর্ভা মা সকিনা।
জন্ম অন্ধ ৩ছেলে কে ছোট বেলা থেকে পরিশ্রম করে বড় হতে শিখিয়েছেন। পাশেগ্রামের জনৈক ব্যক্তি সোহেল জানান, এই ৩ ছেলেকে আমরা ছোট বেলা থেকে দেখে আসছি। তারা আমাদের উত্তর কুহুমা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ছোট বেলা থেকে বড় ২ভাই মাথায় কোরা করে মানুষের বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে বিস্কুট বিক্রি করবো।
গ্রামবাসীও খুবই খুশি ছিল, ব্যাকারীর সব খাবার ওদের মাধ্যমে ন্যায মুল্যে ঘরে বসে ক্রয় করতে পারতো। বসত ভিটা ছোট হওয়াতে ৩ছেলেসহ পরিবার নিয়ে উত্তর মন্দিয়া একটি ভূমি ক্রয় করে চলে যায়। ওই স্থানে তারাই প্রথম জমি ভরাট করে কোন একটি ঘর তৈরী করে বসবাস করে আসছিল এবং রাস্তার পাশে একটি দোকান ঘর চালু করে। যাহা দিয়ে তাদের পরিবারে ভরণ পৌষণ ব্যায় করতো।
মা সকিনা ৩ছেলেকে উপযুক্ত হওয়ার বিবাহ করান। তিন সন্তানের ঘরেই রয়েছে ছেলে নাতি-নাতনিরা। স্ত্রীসহ পারিবারিক ভাবে সুখে আছে। কিন্তু তারপরও ঘরটি সঠিক ভাবে মেরামত না থাকার কারণে বৃষ্টির দিনে খুবই কষ্ট করে তারা।
অবশেষে সাংবাদিক দুলাল তালুকদার ও ফেনীর সামাজিক সংগঠন সহায়’র মাধ্যমে ফেনী-২ আসনের সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপির দৃষ্টিতে আসে বিষয়টি। তারপর তিনি এই অসহায় পরিবারটিকে ১৬ লক্ষ টাকা ব্যায় করে একটি পাকা ঘর নিমার্ণ করে দেন।
ঘরটি সম্পূর্ণ ভাবে প্রস্তুত হলে, ফেনীর সামাজিক সংগঠন’র সভাপতি মঞ্জিলা মিমি’র একটি আবেক ও কৃতজ্ঞতা মূলক একটি স্ট্যাস্টাস দেন। যেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
উক্ত স্ট্যাস্ট্যাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো।
‍‌‌”সকিনা খালা এবং তার জন্ম অন্ধ ৩ছেলের চোখের জল মুছে দিলেন নিজাম উদ্দীন হাজারী এমপি
❤
আমি প্রতিদিন দুই রাকাত নফল নামায পড়ে দোয়া করি নিজাম হাজারীর লাই।এই কথা বলেই কেঁদে ওঠেন সকিনা খালা।
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় জন্মান্ধ ৩ভাইকে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিলেন ফেনী জেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এবং ফেনী ২আসনের সাংসদ নিজাম উদ্দীন হাজারী এমপি।
প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আপনার অনুরোধ রাখতে পারিনি তাই।আপনি বলেছিলেন মিডিয়াতে না জানাতে।আমার মনে হয় আমি যদি না জানাই তাহলে অনেকেই এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।আপনাকে দেখে যেন সবাই তার আশেপাশের মানুষগুলোর জন্য কিছু করে সেজন্যই এই কথা না রাখা।আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা নেই।আপনি নিজের আলোয় আলোকিত করেছেন আশেপাশের মানুষগুলোকে। শুধু নিজ নির্বাচন আসন নয় এর বাহিরে এসে ফেনীর সর্বস্তরের জনগণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।এই ধারাবাহিকতায় জন্ম অন্ধ ৩ভাইকে পরিবারসহ নতুন করে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে বাঁচার ঠিকানা করে দিয়েছেন তিনি।এবং প্রত্যেক মাসের প্রথম সপ্তাহে ৫০০০টাকা করে ওনাদের ঔষধ ও সংসার খরচ দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।আপনার মতন করে সকলে যদি অসহায়দের পাশে দাঁড়ায় তাহলে বাংলাদেশে আর অসহায়ত্ব থাকবেনা। নিজাম হাজারীর সৈনিক নিজাম উদ্দিন হাজারী ”