পবিত্র ঈদুল ফিতরের সময়ে সবাই যখন খুবই ব্যস্ত পরিবার নিয়ে হাসিখুশিতে। ঠিক তখনই কর্মস্থলে আসা প্রসূতি মায়েদের সেবা দিচ্ছে ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র সিনিয়র স্টাফ নার্স রুবিনা মজুমদার
ঈদের দিনসহ পরবর্তী ৪৮ঘন্টায় টানা ১২টি শিশুকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন এই সিনিয়র নার্স। বিষয়টি রীতিমত উপজেলাসহ দেশব্যাপী আলোচিত হওয়াতে সুনাম কুড়িয়েছে এই নার্স।  এর মধ্যে একজন মায়ের ১ম সন্তান জন্মের সময় সিজার হয়ে ছিল, নার্স’র দক্ষতার ফলে ২য় সন্তানের সময়ে সিজার করতে হয়নি, নরমালে সন্তানের জন্ম হয়েছে।  বর্তমান সরকার, স্বাস্থ্য বিভাগ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র টিএইচও নরমান ডেলিভারীর প্রয়োজনীতা অনুভব করাতে ও নার্স রুবিনা মজুমদারের আন্তরিকতার কারণে এই অসম্ভবকে সম্ভব হয়েছে মনে মন্তব্য করেছেন অনেকে।
১২টি শিশুর মধ্যে ৪টি মেয়ে আর ৮টি ছেলে রয়েছে এবং জন্মের পরে মা ও সন্তান সুস্থ্য রয়েছে বলে জানান ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র সিনিয়র স্টাফ নার্স রুবিনা মজুমদার।
ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র সিনিয়র স্টাফ নার্স রুবিনা মজুমদার’র বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার এক শুভাকাঙ্খী টাইমস বাংলা নিউজকে জানান, আমি ছোট বেলা থেকে নার্স রুবিনা আপা দেখে আসছি। আমার বুঝ হওয়ার পর থেকে দেখতাম, তিনি সবসময়ে হাসিখুশিভাবে রোগিদের সেবা দিতেন, কোন সময়ে বিরক্তবোধ করতেন না। পাশাপাশি সকল নার্সদের সাথে সু-সম্পর্ক রাখতেন। রোগিরা যে কোন বুদ্ধি পরামর্শের জন্য হাসপাতালে আসলে উনি হাসি মুখে সঠিক পরামর্শ দিতেন। রাত-দিন ২৪ঘন্টায় কোন সমস্যার সমাধানের জন্য ও বিপদে পড়ে কল দিলে তিনি সাথে রিসিভ করে সঠিক পরামর্শ দিয়ে থাকেন আমাকে ও আমার পরিবারকে। আমি উনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।
এ ছাড়াও তিনি নার্স পেশার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কাজ কর্মে সর্বদা একটিভ থাকেন। ইতি মধ্যে ছাগলনাইয়া উপজেলা অনেক গুলো পরিবারকে ঘর নিমার্ণ করে দিয়েছেন, রমজানে ইফতার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন, এতিমদের খাওয়ানোসহ নতুন জামা ক্রয় করে দেওয়া এবং  অসহায় ও দুস্থ্যদের ঔষুদ ক্রয় করে দিয়ে থাকেনসহ নানান মানবিক কাজ করে থাকেন।
এ সময় এসএসএন রুবিনা মজুমদার তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রেইজ বুকে একটি স্ট্যাস্টার্স দিয়েছেন, সেটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:
গতকাল দুপুরে হাসপাতাল থেকে কল আসে আপু তাড়াতাড়ি আসেন ভাত খাওয়া থেকে উঠে দৌড়ে গিয়ে দেখি প্রসুতী মা বলছে এক বছর আগে সিজার এখন বাচান,স্বামী খুব খারাপ এবং একজন সংগী ও আনে নাই, মায়ের সাথে রাগারাগি করে আল্লাহ নাম নিয়ে ঝুকি পূর্ণ ডেলিভারি করাই আলহামদুলিল্লাহ মা বাচ্চা ভালো আছেন।
কষ্ট টা হলো thank s less job.
❤️
❤️ গত ৪৮ ঘন্টায় আমাদের হাসপাতালে ১২ জনকে নরমাল ডেলিভারি সম্পন্ন করি। মেয়ে ৪জন, ৮জন ছেলে। একজন মায়ের পূর্বের সিজার ছিল, বর্তমানে নরমান ডেলিভারী করা হয়।
❤️❤️❤️ আমাদের কর্মরত ডিউটি ডাক্তার অনেক সহযোগিতার করেছেন ও Uh& fpo স্যার সার্বক্ষন খবরা খবর নিয়েছেন এবং সাহস জুগিয়েছেন।
❤️❤️❤️❤️ মিডওয়াইফ মোস্তারিনা সহযোগিতা করেছেন।