সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের চরলক্ষীগঞ্জ গ্রামে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এমদাদ হোসেন কে (৩১) লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আতর্কিত হামলা করে গুরুত্বর আহত করে। এসময় তার ভাই শাখাওয়াত হোসেন ও স্ত্রী নাহিদা আলম চিৎকার শুনে এগিয়ে আসলে তাদেরকেও কিল ঘুষি মেরে পিটিয়ে আহত করে।
পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারী সন্ত্রাসীরা এগিয়ে যায়। আহত এমদাদকে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ০৪ মার্চ শুক্রবার বিকেলে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। এঘটনায় এমদাদ হোসেন বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা (নং-জিআর ৪/৪৮) করেন।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোনাগাজী চরমজলিশপুর ইউনিয়নের চরলক্ষ্মীগঞ্জ গ্রামের সাহেব বাড়ীর গোলাম হোসেনের পুত্র আবদুল আজিজ মাহবুব পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এমদাদ হোসেন বাড়ির সামনে একা পেয়ে লোহার রড, কাঠ ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এসময় তার সাথে তার মেয়ে সুইটি আক্তার (২৯) ও স্ত্রী জহুরা বেগম (৪৫) হামলায় অংশ নেয়। হামলায় এমদাদ হোসেন বাম চোখ ও মাথায় গুরুত্বর আঘাতপ্রাপ্ত হোন। ডাক্তার তাকে সোনাগাজী থেকে ফেনী সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। হামলার সময় সন্ত্রাসীরা স্বর্ণালংকার ও গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র নিয়ে যায়।
সোনাগাজীতে জায়গাজমি বিরোধে প্রতিপক্ষকে পিটিয়ে আহত, প্রাণনাশের হুমকি

সোনাগাজীতে জায়গাজমি বিরোধে প্রতিপক্ষকে পিটিয়ে আহত, প্রাণনাশের হুমকি

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন থেকে হামলাকারি আবদুল আজিজ বিনাকারনে গ্রামের মানুষদের হয়রানি করে আসছে। এর আগে এমদাদের বাবাকেও সে মেরে আহত করেছে। তার বিরুদ্ধে সোনাগাজী থানায় হত্যা মামলা সহ একাধিক অভিযোগের মামলা রয়েছে।
আহত এমদাদ হোসেন জানান, হামলা করার পরও সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য এখনো প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এঘটনায় ফেনীর পুলিশ সুপার ও সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজেদুল ইসলাম জানান, আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ইকবাল হোসেন ভূইঁয়া জানান, আসামীর মাথা ও চোখে গুরুতর আঘাত রয়েছে। আমরা সাধ্যমত চিকিৎসা করছি, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর জরুরি।