পাবনার ঈশ্বরদীতে গৃহবধূ মুক্তি খাতুন রিতা (২৭) হত্যাকাণ্ডের রহস্য ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটন করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, এ হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী ৩ জনকে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রেপ্তার করার পর তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বলেছেন, চাকরির টাকা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধে রিতাকে হত্যা করেছেন তারা।

শনিবার রাতে পাবনার পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন জানান, পাবনার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি-২ আদালতের বিচারক আশরাফুল ইসলাম এই জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন- নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চর গোবিন্দপুর গ্রামের শরীফ সরকার (২১), হেলাল সরকার (২৩) ও সাব্বির আহমেদ (২৪)।

ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পরপরই পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে আসামিদের শনাক্ত করে বড়াইগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে। তিন আসামিই আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে বলেছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বায়োজিদ সারোয়ার তার স্ত্রী রিতাকে দিয়ে চাকরি প্রত্যাশীদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করাতেন। পরে চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সাব্বির আহমেদ এই হত্যার পরিকল্পনা করেন। সে মোতাবেক পরিকল্পিতভাবে বায়োজিদ সারোয়ারের স্ত্রী মুক্তি খাতুন রিতাকে গত বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঈশ্বরদী শহরের মশুরিয়া পাড়ায় তার নিজ বাড়ির শয়নকক্ষে গলাকেটে হত্যা করেন তারা।